Join Our WhatsApp Group! উঠে যাচ্ছে মার্কশিট? মোদির মন্তব্যে দেশজুড়ে জল্পনা তুঙ্গে ২০২২ থেকেই নয়া শিক্ষানীতি কার্যকরের নির্দেশ - Learn and Let others to Learn
|
এটা হলো শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত ওয়েবসাইট।এখানে বইয়ের কাজ,এক্সট্রা কোয়েশ্চন আনসার,গ্রামার ও কোয়েশ্চন ব্যাংকের উত্তর পাওয়া যাবে । এটা হলো শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত ওয়েবসাইট।এখানে বইয়ের কাজ,এক্সট্রা কোয়েশ্চন আনসার,গ্রামার ও কোয়েশ্চন ব্যাংকের উত্তর পাওয়া যাবে । এটা হলো শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত ওয়েবসাইট।এখানে বইয়ের কাজ,এক্সট্রা কোয়েশ্চন আনসার,গ্রামার ও কোয়েশ্চন ব্যাংকের উত্তর পাওয়া যাবে ।

Saturday, September 12, 2020

উঠে যাচ্ছে মার্কশিট? মোদির মন্তব্যে দেশজুড়ে জল্পনা তুঙ্গে ২০২২ থেকেই নয়া শিক্ষানীতি কার্যকরের নির্দেশ

 

উঠে যাচ্ছে মার্কশিট? মোদির
মন্তব্যে দেশজুড়ে জল্পনা তুঙ্গে
২০২২ থেকেই নয়া শিক্ষানীতি কার্যকরের নির্দেশ

সমৃদ্ধ দত্ত, নয়াদিল্লি: ‘তিন দশকে জীবন কত পাল্টে গিয়েছে। অথচ শিক্ষানীতি সেই একই আছে। এটা হওয়া উচিত নয়। তাই এবার সময় এসেছে শিক্ষা ব্যবস্থার অভিমুখ বদলে দেওয়ার।’ শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তৃতার এই ছিল সূচনা। আর তারপরই তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন তাঁর সরকারের লক্ষ্য, ‘২০২২ সালেই ভারতে শুরু হবে নতুন শিক্ষানীতি।’ শুধু যে সিলেবাস আমূল পাল্টে যাবে তাই নয়, প্রধানমন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছেন, বদলে যাবে মার্কশিট প্রথাও। বলেছেন, পরীক্ষা, মার্কশিট এই শব্দগুলি পড়ুয়াদের মধ্যে আতঙ্ক নিয়ে আসে। ক্রমেই মার্কশিট যেন পর্যবসিত হয়েছে প্রেশারশিটে। মানসিক চাপে শিক্ষার্থীরা সহজভাবে শিক্ষাগ্রহণ থেকে পিছিয়ে পড়ছে। এই মার্কশিট প্রথার কারণেই বহু গুণসম্পন্ন ছাত্রছাত্রী পিছিয়ে পড়ে জীবন ও জীবিকার পথে। এই ব্যবস্থার পরিবর্তন দরকার। মোদি বলেছেন, ‘প্রেশার কমাতে হবে। সেই চেষ্টা করা হচ্ছে, যাতে মার্কশিটের ভয়ই না থাকে। ২০২২ সালে ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষপূর্তি। সেই বছরই একবিংশ শতকের ভারত পাবে নতুন শিক্ষানীতি।’ শুক্রবার শিক্ষামন্ত্রক আয়োজিত জাতীয় শিক্ষানীতি সংক্রান্ত অনুষ্ঠান ‘একবিংশ শতকের স্কুলশিক্ষা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এই প্রক্রিয়া বদলের ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদির ঘোষণার পরই দেশজুড়ে প্রশ্ন ও জল্পনা শুরু হয়েছে, তাহলে কি ২০২২ সাল থেকে মার্কশিট প্রথাই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে? সেক্ষেত্রে পরীক্ষা ও তার যাচাই প্রক্রিয়া কীভাবে হবে?
কোনও একটি পরীক্ষায় সবথেকে ভালো কিংবা খারাপ ফল করলেও তা যাতে প্রকাশ না পায়, সেটাই কেন্দ্রের লক্ষ্য। গড়ে তোলা হচ্ছে নতুন একটি যাচাই প্রক্রিয়া, যেখানে মার্কশিটের গুরুত্ব থাকবে না। মোদি বলেছেন, ‘চালু হবে একটি সামগ্রিক রিপোর্ট কার্ড। সেই রিপোর্ট কার্ড তৈরি হবে সিলেবাসের পাশাপাশি ব্যক্তিগত নৈপুণ্য, প্রতিভা, নিষ্ঠা, মৌলিক যোগ্যতার নিরিখে।’ মোদির বক্তব্য অনুযায়ী যদি সত্যিই মার্কশিট প্রথা বাতিল হয়ে যায়, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত নিয়েও চরম বিতর্ক হবে। সে ব্যাপারে সন্দেহ নেই। কারণ, বহু রাজ্যই পাশ-ফেল প্রথা তুলে দিয়েও ফিরিয়ে এনেছে। বিগত ৩০ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার হয়নি বলে মোদি অভিযোগ তুললেও, রাজ্যে রাজ্যে মাতৃভাষায় শিক্ষা, প্রবেশিকা পরীক্ষার নিয়ম, প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি বৃত্তিমূলক শিক্ষা, গ্রেডিং ব্যবস্থা ইত্যাদি নানাবিধ পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু সরাসরি মার্কশিট ব্যবস্থা কখনওই তুলে দেওয়া হয়নি। মোদির বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, কেন্দ্র সম্পূর্ণ নতুন একটি শিক্ষা-যাচাই পদ্ধতি নিয়ে আসতে চলেছে। এতে কোনও পড়ুয়ার গুণমানের প্রমাণ একটিমাত্র পরীক্ষার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হবে না।
সম্প্রতি নয়া শিক্ষানীতি তৈরি করেছে কেন্দ্র। সেই প্রস্তাবের বহুলাংশ নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে রাজ্যে রাজ্যে। আঞ্চলিক ভাষার সপক্ষে সওয়াল করে রাজ্যগুলির প্রধান আপত্তি, হিন্দিকে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। শুক্রবার মোদি বলেছেন, ‘শিক্ষানীতি নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। এটা ইতিবাচক দিক। এরকমই হওয়া উচিত। আমরা প্রস্তাব ও পরামর্শ চেয়েছিলাম। ইতিমধ্যেই ১৫ লক্ষের বেশি প্রস্তাব এসেছে কেন্দ্রের কাছে। প্রত্যেকের মতামতই গুরুত্বপূর্ণ। নতুন শিক্ষানীতিতে পড়ার চাপ কমানোর দাওয়াই দেওয়া হয়েছে। তাই সিলেবাসকে করা হচ্ছে অনেক হাল্কা।’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘শিক্ষা কিংবা ক্লাসরুমকে চার দেওয়ালের মধ্যে আটকে রাখা যাবে না। বাইরে যেতে হবে শিক্ষার্থীদের নিয়ে। একইসঙ্গে রিডিং স্কিল বৃদ্ধির একটি সিলেবাস থাকবে।’ প্রধানমন্ত্রী চাইছেন, একজন তৃতীয় শ্রেণীর পড়ুয়া যেন মিনিটে ৩৫টি শব্দ পড়তে পারে। এটাই লক্ষ্য হবে। প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি নতুন সিলেবাসে আনা হচ্ছে কোডিং, জয়েন্ট ইন্টারনেট, ক্লাউড কম্পিউটিং, ডেটা সায়েন্স এবং রোবটিক্সের মতো বিষয়। প্রধানমন্ত্রী আজ সবথেকে তাৎপর্যপূর্ণ যে কথাটি বলেছেন তা হল, ভারতের প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন জাতীয় শিক্ষা নীতি অনুযায়ীই শিক্ষালাভ করে। অর্থাৎ মোদির না বলা অঘোষিত স্লোগানটি হল, ‘ওয়ান নেশন ওয়ান এডুকেশন!’

No comments:

Post a Comment

Featured Post

A Tree Plantation Drive

  A Tree Plantation Drive Our school, Saltora Girls’ High School, organized a Tree Plantation Drive on 5th June, on the occasion of World ...